আর এইসব রাতে আমাদের চারপাশে যখন গহিন অন্ধকার , সেইসব সময়ে আমরা বড় বেশি বীষ পুষে রাখি অভ্যান্তরে আর আমাদের মনে পড়ে যে আমরা কাটিয়ে এসেছি পুরোটা মহাকাল , যখন আকাশের ওপারে একটা বিন্দু ছড়িয়ে পড়েছিল তখন ও আমি মিশে ছিলাম সিমাহীন গহীন অন্ধকারে , আর তারপর কেটেছে কতটা কাল আর আমি বিপর্যস্ত পরিব্রাজক ! আর আমাদের ছিল না রাস্তা খুঁজে ঘরে ফেরার তাড়া , আর আমরা গহীন অন্ধকারে এসে ভিড়েছিলাম নীল এক গ্রহে ,যেখানে আমরা ভেজা গায়ে উঠে পড়েছিলাম সৈকতে ! তারপর কেটেছে আরো কতটা কাল আমরা হাটতে হাটতে ক্রমশ কেটেছে ঘোর ! তারপর আমরা নাগরিক জঞ্জালে খুড়েছি মাথা আর আমরা ক্রমশ কংক্রীটের দেয়াল তুলে ক্রমশ ঢাকতে চেয়েছি তীব্র বিষন্নতা আর যুগান্তের বয়ে চলা সময়ের অভিশাপ ! আর আমরা আখেরে ফিরে যেতে সেইসব অন্ধকারে আর আমরা আপাতত এই ক্লান্ত অস্তিত্বটুকু ভুলে যেতে চাই !
পোস্টগুলি
জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
আমাদের এই বহমান সময়ে আমরা আসলে কে?
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
আমাদের এই বহমান সময়ে আমরা আসলে কে? এই যে আমাদের চেতনা, সবার থেকে আলাদা হবার এই যে প্রেরণা, কেন? কেউ মালা কেউ তসবি গলে তাইতে তো জাত ভিন্ন বলে -বলেছিলেন লালন। আবার সিলেটী কবি হাসন রাজা বড় আক্ষেপ করে বলে গেলেন "কি ঘর বানাইমু আমি শূন্যের ও মাঝার।" এই যে আমাদের অস্তিত্ব, বহমান সময়ে খানিকক্ষণ টিকে থাকা, আসলেই কি আমাদের অস্তিত্ব এর কোন মহান মানে আছে? মানুষের এই চিরন্তন হতাশা দূর করতেই যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন আরোপিত মতবাদ। আর অস্তিত্ব সংকটে ভোগা বুদ্ধিমান মানুষ আঁকড়ে ধরেছে সেইসব মতবাদ কে নিজের সিমাহীন হতাশা দূর করার তাগিদেই। দুনিয়ার বুকে হতাশ আর lঅস্তিত্ব সংকটে ভোগা মানুষের জন্য খুবই চমৎকার একটা মতবাদ হচ্ছে ধর্মীয় মতবাদ। এখানে মানুষ কে অমর করে রাখবার লোভ দেখানো হয়, বলা হয় একবার মাত্র মৃত্যু হবে আর তারপর আছে অনন্তকালের জিবন যার কোন শেষ নাই। এই একটা কথাই মনে হয় আব্রাহামিক ধর্ম গুলো পৃথিবী ব্যাপি ছড়িয়ে পড়ার মূল কারন। মানুষ অবচেতনেই তার নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চায় অনন্তকাল, যখন ধর্ম তার আধ্যাত্মিকতার বানী নিয়ে আর্বিভূত হলো তখনই মানুষ পেল সপ্ন নিয়ে বেচে থাকার মত অবলম্বন। একজন ঈশ...