আত্ম অনুসন্ধান পর্ব ১
আমরা কেন আধ্যাত্মিক প্রাণী? কারণ আমরা চিন্তা করতে পারি। চিন্তার এই দায় থেকেই আসে চরম সত্যের নিকট পৌঁছানোর আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু দরিদ্র দেশগুলোতে আমাদের ভেতরের এই সচেতনতা অর্জনের আগেই আমরা পেটের দায়ে নষ্ট হতে থাকি। তখন আমাদের চিন্তার ভার কাঁধে তুলে নেয় মোল্লা-পুরোহিত গোষ্ঠী। তাঁদের দৃষ্টিতে আমরা তখন হয়ে উঠি বোধশূন্য, দুনিয়াকামী এক ধরনের মানুষরূপী পশু। তাই তাঁরা রূপক আর বয়ানের আশ্রয়ে আমাদের মুক্তি কামনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং নিজেদের দুনিয়াবী ফায়দা অর্জন করতে থাকেন। তবে তাঁরা বুঝতে পারেন না যে, ওই প্রলেতারিয়েত মানুষগুলো ঠিক কতটা এগিয়ে গেল। ফলে তাঁরা আধ্যাত্মিক গুরু হয়ে ওঠার বদলে যখন ওই দুনিয়াকামী মানুষের কাতারে শামিল হতে থাকেন, তখন কখনো কখনো তাঁদের ভেতরে ঈশ্বর বিদ্যুৎচমকের মতো এক চিলতে আলো ফেলে যান। তখন কেউ কেউ হুংকার দিয়ে লাইব্রেরি পোড়াতে চায়, আবার কেউ বলে, "ধুর! চল সব ছেড়ে-ছুঁড়ে হিমালয়ে চলে যাই।" আখেরে কেউ বুঝে উঠতে পারে না কী করা উচিত। তখন তাঁরা নেগেটিভ মার্কেটিং পলিসি ফলো করে এক হুজুর আরেক হুজুরের, এক গুরু আরেক গুরুর বদনাম করতে থাকেন এবং ধর্মগ্রন্থ ঘেঁটে এমন সব উদ্ধৃতি দিতে থাক...