রোদ জ্বলা খাঁ খাঁ দুপুর ,আর ঠিক সেই সময় তিব্র পানির পিপাসা পেলে তমিজের মনে পড়ে যায় ভেজা ভেজা একজোড়া ঠোঁটের কথা ,আর সেই সাথে কালো তিব্র গভীর চোখের কথা মনে পড়তেই তমিজ দেখতে পায় সমুখে ভেসে চলে বড় গাঙের তিব্র চকচকে পানি ,আর তমিজের বড় বেশি পিপাসা পেতে থাকে ,পানি অথবা নারী অথবা একটা তিব্র চুমুর । আর তমিজ চারপাশে খাঁ খাঁ শূন্যতার তেজে বড় বেশি বিষন্ন আর কিছুটা বেচাইন হয়ে পড়ে আর তার মনে পড়তে থাকে সালেহার কোমড়ের ভাঁজের কথা , আর শরীরের ক্ষতে একটা নীল মাছি এসে বসলে তার মনে পড়তে থাকে যে পাঁজরের পাশ ঘেঁষে বিঁধে আছে এক টুকরো তীক্ষ্ণ ইস্পাত । বোমা টা ফাটার মুহূর্তে সে সরে পড়তে চেয়েছিল ,জীবন থেকে নয় পুলিশের নজরের আঁচ থেকে । অথচ এই খাঁ খাঁ রোদের উত্তাপে অনেক দূরে আকাশের সীমানায় কিছু একটা উড়তে দেখে সে ,আর তমিজের মনে পরে বড় মসজিদের গোরা ঈমামের কথা ,তার টকটকে ফর্সা মুখে কুচকুচে দাড়ি একেবারে সাদা চামড়ার বিদেশিদের মত লাগত তাই গ্রামের লোকে তার নাম দিয়েছিল গোরা ঈমাম । তার লাশ তিনদিন পড়ে ছিল বড় গাঙের ধারে ,আর তার বুকের উপর একটা ধুসর শকুন বড় বেশি বিষন্ন ভঙ্গিতে শুষে নিচ্ছিল রোদের ওম অথচ সেই লাশে একটা ঠোকর ও ...