মুসলিম ভায়েরা লক্ষ্য করুন । আমি একজন নাস্তিক বলছি
আল্লাহ বানাইসে ইসলাম আর শয়তানে বানাইসে জামাতে ইসলাম এই কথা টা যে সমস্ত মুমিন ভাইয়েরা বুজতে পারছেন না বা বোঝার চেষ্টাও করছেন না, যেনে রাখুন পরকাল বলে সত্যিই যদি কিছু থেকে থাকে তবে এই একটা দল কে সমর্থন এর জন্য আপনার ঠিকানা কিন্তু হতে যাচ্ছে নিশ্চিত জাহান্নাম। জামাতে ইসলাম যে একটা মোনাফেক দল এইটা বুজতে বড় আলেম হওয়া লাগে না ধর্ম সম্পর্কে সামান্য জানা থাকলেও আপনি বলে দিতে পারবেন এরা মোনাফেক। আচ্ছা হাদিসে মোনাফেকের কয়টা গুনাবলির কথা বলা হইছে? আমি বলব না আপনি নিজেই পড়ে আসুন আর তারপর মিলিয়ে দেখুন তো জামাতে ইসলাম নামক দল ও তার নেতাগনের সাথে তার কত গুলো মিলে যায়?
কি মিল পাচ্ছেন? ঠিক আছে শেষ জামানা সম্পর্কিত আরও কিছু হাদিস আছে একটু কষ্ট করে খুজে পড়ুন , আমি কোন লিঙ্ক দিবনা কারন আমি তো নাস্তিক আমার কথা আপনাদের বিশ্বাস হবে না , তাই বলছি একটু কষ্ট করে খুজুন না,দেখুন শেষ জামানাই ফাতনা ফাসাদ সৃষ্টিকারী দলটির সাথে জামাতে ইসলাম নামক দল ও তার নেতাগনের সাথে কোন মিল পাচ্ছেন কি?
আচ্ছা কোরানের এই আয়াত খানা দেখুন তো “আর যখন তাদের কে বলা হয় দুনিয়ার বুকে দাঙ্গাহাঙ্গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি
মনে রেখো তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করে না”
সূরা আল বাক্কারাহ
আয়াতঃ১১-১২
কি বুজলেন? চিনতে পারলেন সেই দল টাকে, আজকের জামাত শিবির কিন্তু আপনার মত সাধারণ মুসলিম এর আবেগ কে পুজি করে রাজনীতি করছে,আপনি তাদের কাছে দাবার গুটি । আজ দেখেন দেশের মুল মিডিয়ার কিছু হলুদ পত্রিকা একজন মরা মানুষ থাবা বাবা(রাজিব হায়দার) এর নাস্তিকতার কাহিনী খুব ফলাউ করে প্রচার করছে, রাজিব হায়দার কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে অনলাইন এ অনেক রকম লেখা লিখে আসছে, তার ব্লগ বলে যে ব্লগ টার প্রচার করা হচ্ছে তা ২০১২ সালের এতদিন এইসব তারা দেখেও চুপ থাকল ক্যান? আর এতদিন পর তাদের ইমানি জোশ ই বা উঠল ক্যান? চিন্তা করে দেখুন তো সাধারণ মুসলিম ভাইয়েরা। খুব কৌশলে আপনাদের আবেগ টা কে কাজে লাগিয়ে জামাত বিরোধী আন্দোলন থামিয়ে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য, আমরা যারা অনলাইনে দীর্ঘ দিন যাবত বিচরণ করছি তারা অনেকেই দেখে থাকবেন ধর্ম কে কটাক্ষ করে অনেক সিরিয়াস লেখা কিন্তু অনেকদিন ধরে অনলাইনে প্রচার হয়ে আসছে, এত দিন নয়াদিগন্ত,আমার দেশ পত্রিকার হলুদ সাংবাদিক গুলো এ লেখা দ্যাখে নাই নাকি এখন বিশেষ কোন মহল কে বাঁচানোর জন্য তারা প্রগাপান্ডা ছড়াচ্ছে? মুসলিম ভাইয়েরা মনে রাখুন একজন নাস্তিক আপনার ধর্মের যত টুকু না ক্ষতি করতে পারবে তাঁর চেয়ে কিন্তু অনেক বেশি ক্ষতি করে ধার্মিক সেজে বসে থাকা মোনাফেকের দল। সাবধান হন আপনার ধর্ম কে রক্ষার জন্য একজন নাস্তিক কে গালি না দিয়ে ওই মোনাফেক দের বয়কট করুন, তাদের লেখা বয়কট করুন। নিজের ধর্ম কে নিজে চিনুন , কোন ভণ্ড জামাত শিবিরের পেইড ব্লগারের লেখা পড়ে নিজের ঈমাণ ধ্বংস করবেন না। আসুন নিজেকে চিনি জামাত শিবির ছাগুর খোয়ার বর্জন করি।
আজকের আমার দেশ পত্রিকার রিপোর্ট যারা দেখছেন, একটু খেয়াল করে দেখুন এইরকম একটা উস্কানি মূলক লেখা দেওয়ার কারন কি? তারা আপনাদের ধর্মের আবেগ কে পুজি করে আপনাদের পথে নামাতে চাঁচ্ছে, সতর্ক হন ওইসব বকধার্মিক দের থেকে। আপনারা অনেকেই জানেন আজ প্রায় ১৪/১৫ বছর ধরে বাংলা ব্লগে ধর্ম কে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা মূলক লেখা আসছে, তাঁর প্রতি উত্তর ও বিভিন্ন ইসলামি ব্লগার রা দিয়ে আসছে, কিন্তু এতদিন এই সব নাস্তিক ঠেকাতে জামাত শিবির মাঠে নামল না মূল মিডিয়া ও চুপ থাকলো এমন কি আজ অধুনা ইসলামের ধজা ধারি আমার দেশ পত্রিকা ও কোন কথা বলল না, হটাত করে এই পত্রিকার ইসলাম রক্ষার ডাক দেয়া খুবই সন্দেহজনক। এমন কি কাবার গিলাফ পরানো অনুষ্ঠান কে এরা জামাতি নেতাদের মুক্তির দাবিতে আলেম সমাবেশ বলে মিথ্যাচার করে ছবি ছাপছিল সে কথা নিশ্চয় আপনারা ভুলে যান নাই। তারমানে এরা নিজেদের স্বার্থে কাবা শারিফ কে নিয়ে মিথ্যাচার করতেও ছাড়ে না। এমন কি তারা এই মিথ্যাচারের জন্য এখনও ভুল পর্যন্ত স্বীকার করে নি। তাহলে এই মুনাফিক দের মিষ্টি কথাই কেন ভুলবেন আপনি? নেটে ধর্ম নিয়ে খুব সুন্দর সুন্দর লেখা আছে, সেগুলো পড়ুন নিজে ধর্ম শিখুন, কিন্তু ধর্মের নাম শূনেই শিবির নামক কিছু মোনাফেকের কথাই নাচবেন না। একজন নাস্তিকে কখনই আপনাকে মসজিদে যেতে বাধা দেবেনা এমন ইচ্ছা ও তাঁর নাই, নাস্তিক হয়ত কি বোর্ড কে তাঁর অস্ত্র বানিয়ে লিখবে, আপনি ইচ্ছা করলেই সে লেখা এড়িয়ে যেতে পারেন, কেউ আপনাকে তা পড়তে জোর করবেনা। কিন্তু একজন মুসলমানবেসি মোনাফেক আপনার মসজিদে ঢুকে আপনাকে জাহান্নামের পথে ডাকবে মধু মাখা সূরে, আপনি নিজের আজান্তেই শয়তানের আনুসারি হয়ে যাবেন। তাই বলছি সাবধান হউন, জামাত শিবিরের মোনাফেক দের থেকে দূরে থাকুন। নাস্তিক কে ঘেন্না করুন সমস্যা নেই, কিন্তু মানুষ কে ঘেন্না করবেন না। আর বিভেদ তৈরি কারীদের থেকে দূরে থাকুন। মানুষের আবেগ নিয়ে, মানুষের ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা জানোয়ারদের বয়কট করুন,শাহবাগে আসুন জানোয়ার রাজাকার দের বিচার দাবি করুন, এ দেশ আমার, এ দেশ আপনার, এ দেশ সবার। আমাদের মাঝে কোন বিভেদ নেই, আমি আস্তিক নাস্তিক চিনি না, আমি বাঙালি চিনী। আর যে লোক গুলো এ দেশ টাকেই চাইনি তাদের মিষ্টি কথাই বিভ্রান্ত না হয়ে তাদের প্রতিরোধ করি। আসুন শাহাবাগ প্রজন্ম চত্বর এক গলায় স্লোগান তুলি “জামাত শিবির রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়” “ বীর শহিদের বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই”।
কি মিল পাচ্ছেন? ঠিক আছে শেষ জামানা সম্পর্কিত আরও কিছু হাদিস আছে একটু কষ্ট করে খুজে পড়ুন , আমি কোন লিঙ্ক দিবনা কারন আমি তো নাস্তিক আমার কথা আপনাদের বিশ্বাস হবে না , তাই বলছি একটু কষ্ট করে খুজুন না,দেখুন শেষ জামানাই ফাতনা ফাসাদ সৃষ্টিকারী দলটির সাথে জামাতে ইসলাম নামক দল ও তার নেতাগনের সাথে কোন মিল পাচ্ছেন কি?
আচ্ছা কোরানের এই আয়াত খানা দেখুন তো “আর যখন তাদের কে বলা হয় দুনিয়ার বুকে দাঙ্গাহাঙ্গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি
মনে রেখো তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করে না”
সূরা আল বাক্কারাহ
আয়াতঃ১১-১২
কি বুজলেন? চিনতে পারলেন সেই দল টাকে, আজকের জামাত শিবির কিন্তু আপনার মত সাধারণ মুসলিম এর আবেগ কে পুজি করে রাজনীতি করছে,আপনি তাদের কাছে দাবার গুটি । আজ দেখেন দেশের মুল মিডিয়ার কিছু হলুদ পত্রিকা একজন মরা মানুষ থাবা বাবা(রাজিব হায়দার) এর নাস্তিকতার কাহিনী খুব ফলাউ করে প্রচার করছে, রাজিব হায়দার কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে অনলাইন এ অনেক রকম লেখা লিখে আসছে, তার ব্লগ বলে যে ব্লগ টার প্রচার করা হচ্ছে তা ২০১২ সালের এতদিন এইসব তারা দেখেও চুপ থাকল ক্যান? আর এতদিন পর তাদের ইমানি জোশ ই বা উঠল ক্যান? চিন্তা করে দেখুন তো সাধারণ মুসলিম ভাইয়েরা। খুব কৌশলে আপনাদের আবেগ টা কে কাজে লাগিয়ে জামাত বিরোধী আন্দোলন থামিয়ে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য, আমরা যারা অনলাইনে দীর্ঘ দিন যাবত বিচরণ করছি তারা অনেকেই দেখে থাকবেন ধর্ম কে কটাক্ষ করে অনেক সিরিয়াস লেখা কিন্তু অনেকদিন ধরে অনলাইনে প্রচার হয়ে আসছে, এত দিন নয়াদিগন্ত,আমার দেশ পত্রিকার হলুদ সাংবাদিক গুলো এ লেখা দ্যাখে নাই নাকি এখন বিশেষ কোন মহল কে বাঁচানোর জন্য তারা প্রগাপান্ডা ছড়াচ্ছে? মুসলিম ভাইয়েরা মনে রাখুন একজন নাস্তিক আপনার ধর্মের যত টুকু না ক্ষতি করতে পারবে তাঁর চেয়ে কিন্তু অনেক বেশি ক্ষতি করে ধার্মিক সেজে বসে থাকা মোনাফেকের দল। সাবধান হন আপনার ধর্ম কে রক্ষার জন্য একজন নাস্তিক কে গালি না দিয়ে ওই মোনাফেক দের বয়কট করুন, তাদের লেখা বয়কট করুন। নিজের ধর্ম কে নিজে চিনুন , কোন ভণ্ড জামাত শিবিরের পেইড ব্লগারের লেখা পড়ে নিজের ঈমাণ ধ্বংস করবেন না। আসুন নিজেকে চিনি জামাত শিবির ছাগুর খোয়ার বর্জন করি।
আজকের আমার দেশ পত্রিকার রিপোর্ট যারা দেখছেন, একটু খেয়াল করে দেখুন এইরকম একটা উস্কানি মূলক লেখা দেওয়ার কারন কি? তারা আপনাদের ধর্মের আবেগ কে পুজি করে আপনাদের পথে নামাতে চাঁচ্ছে, সতর্ক হন ওইসব বকধার্মিক দের থেকে। আপনারা অনেকেই জানেন আজ প্রায় ১৪/১৫ বছর ধরে বাংলা ব্লগে ধর্ম কে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা মূলক লেখা আসছে, তাঁর প্রতি উত্তর ও বিভিন্ন ইসলামি ব্লগার রা দিয়ে আসছে, কিন্তু এতদিন এই সব নাস্তিক ঠেকাতে জামাত শিবির মাঠে নামল না মূল মিডিয়া ও চুপ থাকলো এমন কি আজ অধুনা ইসলামের ধজা ধারি আমার দেশ পত্রিকা ও কোন কথা বলল না, হটাত করে এই পত্রিকার ইসলাম রক্ষার ডাক দেয়া খুবই সন্দেহজনক। এমন কি কাবার গিলাফ পরানো অনুষ্ঠান কে এরা জামাতি নেতাদের মুক্তির দাবিতে আলেম সমাবেশ বলে মিথ্যাচার করে ছবি ছাপছিল সে কথা নিশ্চয় আপনারা ভুলে যান নাই। তারমানে এরা নিজেদের স্বার্থে কাবা শারিফ কে নিয়ে মিথ্যাচার করতেও ছাড়ে না। এমন কি তারা এই মিথ্যাচারের জন্য এখনও ভুল পর্যন্ত স্বীকার করে নি। তাহলে এই মুনাফিক দের মিষ্টি কথাই কেন ভুলবেন আপনি? নেটে ধর্ম নিয়ে খুব সুন্দর সুন্দর লেখা আছে, সেগুলো পড়ুন নিজে ধর্ম শিখুন, কিন্তু ধর্মের নাম শূনেই শিবির নামক কিছু মোনাফেকের কথাই নাচবেন না। একজন নাস্তিকে কখনই আপনাকে মসজিদে যেতে বাধা দেবেনা এমন ইচ্ছা ও তাঁর নাই, নাস্তিক হয়ত কি বোর্ড কে তাঁর অস্ত্র বানিয়ে লিখবে, আপনি ইচ্ছা করলেই সে লেখা এড়িয়ে যেতে পারেন, কেউ আপনাকে তা পড়তে জোর করবেনা। কিন্তু একজন মুসলমানবেসি মোনাফেক আপনার মসজিদে ঢুকে আপনাকে জাহান্নামের পথে ডাকবে মধু মাখা সূরে, আপনি নিজের আজান্তেই শয়তানের আনুসারি হয়ে যাবেন। তাই বলছি সাবধান হউন, জামাত শিবিরের মোনাফেক দের থেকে দূরে থাকুন। নাস্তিক কে ঘেন্না করুন সমস্যা নেই, কিন্তু মানুষ কে ঘেন্না করবেন না। আর বিভেদ তৈরি কারীদের থেকে দূরে থাকুন। মানুষের আবেগ নিয়ে, মানুষের ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা জানোয়ারদের বয়কট করুন,শাহবাগে আসুন জানোয়ার রাজাকার দের বিচার দাবি করুন, এ দেশ আমার, এ দেশ আপনার, এ দেশ সবার। আমাদের মাঝে কোন বিভেদ নেই, আমি আস্তিক নাস্তিক চিনি না, আমি বাঙালি চিনী। আর যে লোক গুলো এ দেশ টাকেই চাইনি তাদের মিষ্টি কথাই বিভ্রান্ত না হয়ে তাদের প্রতিরোধ করি। আসুন শাহাবাগ প্রজন্ম চত্বর এক গলায় স্লোগান তুলি “জামাত শিবির রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়” “ বীর শহিদের বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই”।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন