মাননীয় সরকার সবিনয়ে বলতে চাই আমাদের কণ্ঠ চেপে ধরবেন না
কোনদিন কি ভেবেছিলাম এই ২০১৩ তে এসেও আমাকে আমার কথা বলার স্বাধীনতার জন্য লিখতে হবে ? ১৯৭১ এর মত সত্যি কথা বলা যুবকদের , দেশ কে ভালবেসে সমাজের মহৎ পরিবর্তন চাওয়া যুবকদের নাস্তিক আখ্যা দিয়ে কারাগারে অন্তরিন করা হবে ? এই কি আমার সেই সম্প্রীতির বাংলা ?
সমাজে নানা মানুষের নানা মত থাকতেই পারে ? একজন ধার্মিকের যেমন ঈশ্বরে বিশ্বাস করার অধিকার আছে একজন নিধারমিকের ও অধিকার আছে বিশ্বাস না করার , আর একজন যদি তাঁর সেই নাস্তিকতা যুক্তিপূর্ণ ভাবে ব্লগে লিখে রাখে তাতে সরকারের অনুভুতি কেন ক্ষুণ্ণ হবে , হ্যাঁ একজন মুসলিম যদি মনে করে লেখা টা তাঁর ধর্মের জন্য ক্ষতিকর তবে সামাজিক ভাবে সে ওই লেখা টাকে বর্জন করতে পারে , কেউ তো আর তাকে জোর করে পড়তে বলছে না ।
আমি বাক্তিগত ভাবে মনে করি একটা রাষ্ট্র যখন একটা নির্দিষ্ট ধর্মের পৃষ্ঠপোষক হয়ে যাই , সেই দেশ ধ্বংসের কিন্তু দেরি হয় না। একটা রাষ্ট্রের নাগরিকেরা বিভিন্ন মতবাদে বিশ্বাসী হতেই পারে রাষ্ট্রের কাজ হচ্ছে সকলের মতবাদ কে সম্মান করে নাগরিকের মত প্রকাশের পথ উন্মুক্ত রাখা। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্র যন্ত্র শাসকের ভোট গননার যন্ত্র হিসেবেই বেশি বাবহ্রিত হচ্ছে । আমি মনে করি বর্তমানে আওয়ামীলীগ সরকার নির্বাচনের কথা মাথাই রেখে কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যা নিশ্চিত ভাবে ভুল, কিন্তু আওয়ামীলীগের নীতিনির্ধারকেরা তা হয়ত সঠিক সময়ে বুঝতে পারছেন না।
যারা ব্লগে ধর্ম অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে , ৪ জন কে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে , কিন্তু সরকার এখনও আমাদের পরিষ্কার করে বলেনি ধর্ম অবমাননার সংজ্ঞা টা কি ? আমি একটা মতের পক্ষে থেকে ভিন্ন কোন মতবাদ কে যদি যুক্তি দিয়ে ভুল বলি তবে সেই ভিন্ন মতবাদ সমর্থন কারীদের ও অধিকার আছে আমার মতের বিরুদ্ধে যুক্তি তুলে ধরে আমার সাথে বিতর্ক করার । কিন্তু তা না করে রাস্তায় নেমে আমার ফাসি দাবি করা , আমাকে ধরে সন্ত্রাসীর মত ফটো সেশন করা , এটা কি আমার নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন নয় ? এখন আমি আমার অধিকার রক্ষার জন্য কার কাছে যাব মাননীয় সরকার ? আমাকে কে নিরাপত্তা দেবে ? তাহলে কি আমার অধিকার রক্ষার জন্য আমাকেও রাস্তার সন্ত্রাসী হতে হবে?
গত ০৬ এপ্রিল হেফাজতে ইসলাম (জামাত) নামক একটা দল ব্যাপক শো ডাউন করেছে , ওদেরকে ধন্যবাদ ওরা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো , কিছু মানুষ কে দিনের পর দিন আমরা কতটা অবহেলা আর করুনার চোখে দেখেছি , ওদের একটু মানসম্মত শিক্ষার কথা আমরা কেউ ভাবিনি । আজ ওরা আধুনিক যুগের অনেক সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত , আজ ওরা ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চলানোর কথা বললে আমরা হাসি ওদের নিয়ে কৌতুক করি , কিন্তু ওদের জ্ঞান বিজ্ঞানের রাজপথে তুলে আনার কথা আমরা কেউ ভাবি না , তাইতো ওরা ব্লগার মানে জানে নাস্তিক , ওদের কে খুব সহজেই বিভ্রান্ত করে ধর্ম বাণিজ্যের হাতিয়ার বানাচ্ছে কিছু ভণ্ড উন্মাদ আর রাজাকার , যারা সমাজে আল্লামা, মৌলানা টাইটেল ধারি । আমাদের সরকার ও ওঁদেরকে ভোটের হাতিয়ার হিসেবেই দেখছে । আসুন আজ আমরা আবার ভাবতে বসি এই সমাজ কে উন্নতি করতে হলে দেশের এই বিশাল জনগোষ্ঠী কে এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই ।
মাননীয় সরকার সবিনয়ে বলতে চাই আমাদের কণ্ঠ চেপে ধরবেন না , আমার ভাই শুভ , বিপ্লব , রাসেল , আসিফ কে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে ক্ষমা প্রাথথনা করুন , ক্ষমা হইত পেতেও পারেন । তা না হলে আপনাদের ও শত্রু হিসেবে চিনে রাখলাম ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু্,জয় প্রজন্ম্,বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক
সমাজে নানা মানুষের নানা মত থাকতেই পারে ? একজন ধার্মিকের যেমন ঈশ্বরে বিশ্বাস করার অধিকার আছে একজন নিধারমিকের ও অধিকার আছে বিশ্বাস না করার , আর একজন যদি তাঁর সেই নাস্তিকতা যুক্তিপূর্ণ ভাবে ব্লগে লিখে রাখে তাতে সরকারের অনুভুতি কেন ক্ষুণ্ণ হবে , হ্যাঁ একজন মুসলিম যদি মনে করে লেখা টা তাঁর ধর্মের জন্য ক্ষতিকর তবে সামাজিক ভাবে সে ওই লেখা টাকে বর্জন করতে পারে , কেউ তো আর তাকে জোর করে পড়তে বলছে না ।
আমি বাক্তিগত ভাবে মনে করি একটা রাষ্ট্র যখন একটা নির্দিষ্ট ধর্মের পৃষ্ঠপোষক হয়ে যাই , সেই দেশ ধ্বংসের কিন্তু দেরি হয় না। একটা রাষ্ট্রের নাগরিকেরা বিভিন্ন মতবাদে বিশ্বাসী হতেই পারে রাষ্ট্রের কাজ হচ্ছে সকলের মতবাদ কে সম্মান করে নাগরিকের মত প্রকাশের পথ উন্মুক্ত রাখা। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্র যন্ত্র শাসকের ভোট গননার যন্ত্র হিসেবেই বেশি বাবহ্রিত হচ্ছে । আমি মনে করি বর্তমানে আওয়ামীলীগ সরকার নির্বাচনের কথা মাথাই রেখে কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যা নিশ্চিত ভাবে ভুল, কিন্তু আওয়ামীলীগের নীতিনির্ধারকেরা তা হয়ত সঠিক সময়ে বুঝতে পারছেন না।
যারা ব্লগে ধর্ম অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে , ৪ জন কে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে , কিন্তু সরকার এখনও আমাদের পরিষ্কার করে বলেনি ধর্ম অবমাননার সংজ্ঞা টা কি ? আমি একটা মতের পক্ষে থেকে ভিন্ন কোন মতবাদ কে যদি যুক্তি দিয়ে ভুল বলি তবে সেই ভিন্ন মতবাদ সমর্থন কারীদের ও অধিকার আছে আমার মতের বিরুদ্ধে যুক্তি তুলে ধরে আমার সাথে বিতর্ক করার । কিন্তু তা না করে রাস্তায় নেমে আমার ফাসি দাবি করা , আমাকে ধরে সন্ত্রাসীর মত ফটো সেশন করা , এটা কি আমার নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন নয় ? এখন আমি আমার অধিকার রক্ষার জন্য কার কাছে যাব মাননীয় সরকার ? আমাকে কে নিরাপত্তা দেবে ? তাহলে কি আমার অধিকার রক্ষার জন্য আমাকেও রাস্তার সন্ত্রাসী হতে হবে?
গত ০৬ এপ্রিল হেফাজতে ইসলাম (জামাত) নামক একটা দল ব্যাপক শো ডাউন করেছে , ওদেরকে ধন্যবাদ ওরা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো , কিছু মানুষ কে দিনের পর দিন আমরা কতটা অবহেলা আর করুনার চোখে দেখেছি , ওদের একটু মানসম্মত শিক্ষার কথা আমরা কেউ ভাবিনি । আজ ওরা আধুনিক যুগের অনেক সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত , আজ ওরা ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চলানোর কথা বললে আমরা হাসি ওদের নিয়ে কৌতুক করি , কিন্তু ওদের জ্ঞান বিজ্ঞানের রাজপথে তুলে আনার কথা আমরা কেউ ভাবি না , তাইতো ওরা ব্লগার মানে জানে নাস্তিক , ওদের কে খুব সহজেই বিভ্রান্ত করে ধর্ম বাণিজ্যের হাতিয়ার বানাচ্ছে কিছু ভণ্ড উন্মাদ আর রাজাকার , যারা সমাজে আল্লামা, মৌলানা টাইটেল ধারি । আমাদের সরকার ও ওঁদেরকে ভোটের হাতিয়ার হিসেবেই দেখছে । আসুন আজ আমরা আবার ভাবতে বসি এই সমাজ কে উন্নতি করতে হলে দেশের এই বিশাল জনগোষ্ঠী কে এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই ।
মাননীয় সরকার সবিনয়ে বলতে চাই আমাদের কণ্ঠ চেপে ধরবেন না , আমার ভাই শুভ , বিপ্লব , রাসেল , আসিফ কে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে ক্ষমা প্রাথথনা করুন , ক্ষমা হইত পেতেও পারেন । তা না হলে আপনাদের ও শত্রু হিসেবে চিনে রাখলাম ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু্,জয় প্রজন্ম্,বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন