##তোমাকে ছেড়ে আসতেই বৃষ্টিরা পাকড়াও করলো তোমার চোখের জল যেভাবে আটকে রেখেছিল তেমনিই আকাশের কান্না আটকে রাখলো তোমার কাছে , অনেক প্রেমিকাদের অশ্রু পেরিয়ে তোমার কাছে আটকে গেলাম একজন কবিকে তুমি প্রেমিক বানিয়ে ফেললে একি তোমার অহংকার নাকি আমার সমর্পন !!
##দূর ইথারের ওপাশে তোমার কন্ঠ এপাশের আমার রক্তের কনায় কনায় প্রতিধ্বনী তোলে
আমি বোধহয় প্রথম পুরুষ যে প্রেমিকাদের চেয়েও তোমাকে বেশি ভালোবাসে
##যখন তোমার বুকে মাথা রাখি নাক ভরে যায় তোমার শরীরের সোদা গন্ধে বিশ্বাস করো প্রিয়া তখনই শুধু তখনই আমি ইবাদতের সুখ পাই , খুব রাত্রিতে তুমি যখন চোখ বুজে আছো গভীর সুখে আমি ঘর্মাক্ত শরীরে ক্লান্ত চাষা ঠিক তখনই আমি ইবাদতের সুখ পাই ,নারী তুমি আমার ইবাদত তুমিই আমার ইশ্বর
##কেটে যাচ্ছে চরম ঘোর ঠিক তোমার রাগমোচনের মত কেপে উঠছে শরীর , নারী তোমাকে ছাড়া একাকী পুরুষ বড়ই বেগানা , রক্ষে করো হে নারী আমার পুরুষ জন্ম সার্থক করো ! তোমার মন্দিরে এই চালচুলোহীন কবিরে ঠাই দিও
##রাত গভির হবে কেটে যাবে হাজার বছরের অন্ধকার তারপর আমরা আবার মানুষ হবো নকল মানুষ , সত্যিকারের মানুষেরা দৈত্য মারতে চলে গেছে ঠাকুরমার ঝুলি কাধে নিয়ে আমরা কিছু নকল মানুষ রয়ে গেছি আসল কে চিনতে পারিনি বলে !!!
##আজ রাতে মেঘমল্লারে পাখিদের গান ,বাংলা মদের তীব্র ঝাজে গুলিয়ে যায় সব । আজ রাত তোমাকে পাওয়া অথবা না পাওয়া নিকোটিনের তীব্র গন্ধে লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে আমি এক আদিম মানুষ ওৎ পেতে বসে থাকি ভয় পেয়োনা প্রিয়তমা কবিরা মাতাল হলেই স্বাভাবিক থাকে বাকীটা সময় সে নেশা করে কবিতা অথবা নারী একমাত্র আগুন পানীয় কবিকে নেশার হাত থেকে মুক্তি দেয় সে এক স্বাধিন মানুষ অবাক হয়ে আশপাশের মাতাল গুলোকে দেখে , কি এক অনিবর্চনীয় কষ্ট তোমার ভেতর কে সামনে দেখা সে কথা কি জানতে তুমি ,জানবে না কোনদিন জানবে না !!
##মাদল বাজে, দূর আকাশ গঙ্গা হতে নেমে আসে সূরের ধারা এমনো রাতে তুমিহীনা কাটে কি বেলা ?
##রাত গভির হবে আমিও কাল সকালে আবার জেগে উঠবো , কিন্তু হে বাঙালি এক সাথে এক মন নিয়ে আমাদের আর জেগে ওঠা হবে কি ?
##হে বাঙালি চোখ খুলে দেখেছ কি ? তোমার শেকড়ে ধরেছে কীট , ঘুনপোকা খেয়ে করেছে শেষ তোমার ধর্মকে , তুমি কোন শান্তির বড়াই কর হে ধার্মিক ? তোমার শান্তি আজ বেনোজলে ভেসে গেছে , ভন্ড নবীরা আর পাইনা সালাম , জানো তো হে কবিরাই আজ সমাজের নবী তারা ও পূজা করে ইশ্বরের তবে সে তোমাদের বিকলাঙ্গ আল্লাহ ভগবান নয় , সে ইশ্বর নারী , কবিরা তার শরীর মন্দিরের পূজারী
##নারী তোমাকে ভালোবেসে আমি আর কবি হতে পারলাম না অবশেষে আমি প্রেমিক হলাম আর রাতদিন তোমার শরীর মন্দিরে অর্ঘ্য নিবেদন করে হয়ে গেলাম এক মূগ্ধ পূজারী
##কবিতা কে ভালোবাসতে নেই তাকে আত্মায় ধারন করতে হয় , কেউ কেউ ভালোবাসে তারা প্রেমিক , কেউবা ঘৃনা করে তারা লেখক , কেউবা বইখানা বুকে নিয়ে ঘুমায় তারা প্রেমিকা ,আর কেউ কেউ মাঝরাতে চন্দ্রহত হয়ে গনিকার দরজায় কড়া নাড়ে , খুব ভোরে পাঞ্জাবীর হাতা গুটিয়ে ঘেটে তোলে নাগরিক জঞ্জাল একটা মৃত কুকুরের থেতলে যাওয়া মগজ দেখে তারা কুকুরির কথা ভাবে মাঝদুপুরে গনগনে রোদে তারা ভূতগ্রস্ত হয়ে নগরের অলিগলি হাতড়ে বেড়াই একটা শব্দের খোজে একমাত্র তারাই কবি
##আজ বৃষ্টিহত হয়েছিলাম, নারী তোমাকে ছাড়া বৃষ্টি বৈশাখে চরম শীতের মতই হাস্যকর , আজ বৃষ্টিতে ভীষন পিপাসার্ত আমি তোমার ঠোট ছুয়ে আসা জলের অপেক্ষায় কেটে গেছে আমার বৃষ্টিবেলা ।
##মাঝে মাঝে ইশ্বরের জন্য করুনা হয়, কি ভীষন একা আর অসহায় সে , মানুষ তাকে সৃষ্টি করে একা একা পাঠিয়ে দিলো আকাশে বেচারী
##তোমার শরীর বন্দনা করি পূজারি যেমন করে মন্দিরে তবে মন্দির নয় আমি আমার ইশ্বর কে চাই
তোমার ভেতরে যে তুমি লুকিয়ে থাকো
সেই তো আমার ইশ্বর প্রিয়তমা ।
তুমি প্রিয়তমা , তুমি জায়া , তুমিই জননী
হে নারী তোমার ভেতরের নারীকেই আমি ইশ্বর মানি
##তোমার শরীর ও তো এক জৈবিক বস্তু তোমার হৃদয় ওটাই কবির বেহেশত পরকাল সব
##তোমার শরীর নয় তোমার ভিতর কে চাই , তোমার ভেতরের তুমিই আমার বাকীটা সময়ের ছোবলে ফুরিয়ে যায় ।
##রাতের চটে যাওয়া ঘুমের কসম ইশ্বর তুমি আমারই সৃষ্টি , একদিন মানুষ নিজের প্রয়োজনে তোমাকে গড়েছিল নিজের আদলে , আজ তুমি স্রষ্টা কে অস্বীকার করে ডেকেছ নিজের মরন, হ্যা আবারো মানুষ নিজেরি প্রয়োজনে তোমাকে হত্যা করবে ।
জগতের সকল মানুষ সুখি হোক ইশ্বর আল্লাহ ভগবান নিপাত যাক
##মুক্তি !! সে তো তোমার অন্তরে , কিতাবে কেন মুক্তি খোজ হে অন্ধ মানুষ ?
##ওহে আস্তিক মুসলমান আপনি জানেন আপনার সাথে আমার পার্থ্যক্য কতটুকু ?
আপনি নিজেরটা ছাড়া অন্য কোন ধর্মে বিশ্বাস করেন না।
আর আমি ?
আপনার টা সহ কোন ধর্ম কে বিশ্বাস করি না।
বোঝা গেছে মুমিনস ???
##আচ্ছা একজন নামাজি দাড়িওয়ালা চেহারা সুরতে ইমানদার কোন মাদ্রাসা শিক্ষক অথবা মাদ্রাসায় পড়া কোন ছাত্র যখন সমকামে লিপ্ত হয় তখন তাদের আল্লার ভয় কোথাই থাকে নাকি তারা একজন নাস্তিকের মতই নিশ্চিত যে আল্লাহ খোদা বলতে কেউ নাই , সমাজ কে ঠকিয়ে বাচার জন্যই তারা ওই ভন্ড লেবাস গ্রহন করে থাকে ? এবং কোরানে স্পষ্ট নিষেধ থাকা সত্তেও তারা সমকামে লিপ্ত হতে ভয় পায় না।
অফটপিক : বাংলাদেশের পুরুষ সমকামীদের খবর আমরা যা পাই তার ৯৯ ভাগই কিন্তু মাদ্রাসা কেন্দ্রিক
##প্রেমিকার সব বৌ হয়ে যায় , বৌয়েরা কখনো প্রেমিকা হয় না
www.facebook.com/mohamann o.soytan
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন