পোস্টগুলি

আমি একজন ধর্ম বিদ্বেষী । আপনি ?

এখন অনেকেই নাস্তিকতা কে দুই ভাগে ভাগ করতে চাচ্ছে সাধারন নাস্তিক আর ধর্ম বিদ্বেষী , মুলত যারা বিশ্বাসে নাস্তিক কিন্তু সেটা সমাজের ভয়ে চেপে যায় তাদের কে ভাল নাস্তিক বলা হচ্ছে আর যারা ধর্মের ভণ্ডামি নিয়ে ব্লগ ফেসবুকে লিখছে তাদের কে ধর্ম বিদ্বেষী বলে আখ্যায়িত করার প্রয়াস পাচ্ছে কিছু অবুঝ সুশিল (মতান্তরে চুশিল) । এখন আপনি আপনার বিশ্বাস কে ১০০ ভাগ সত্যি মনে করে যদি ধর্ম প্রচারের অধিকার পেতে চান তবে আমার যুক্তি এবং বিজ্ঞানের আলোকে পাওয়া জ্ঞান দিয়ে আমি কেন আপনার ধর্মের বিরুদ্ধে বলতে পারব না ? আপনি একজন মুসলিম আপনি দাবি করছেন আপনার কিতাব ১০০ ভাগ সত্যি , এটা আপনি কোথাই পেলেন ? আল্লাহ বলেছে আচ্ছা আপনার আল্লাহ সত্যি এটা কে বল্ল নবি বলেছেন , উনি যে সত্যি আল্লাহর নবি এটা কে বলেছেন কেন আল্লাহার কিতাবে বলা আছে। তাহলে ঘুরে ফিরে আপনার বিশ্বাস আপনার একমাত্র সম্বল , এবং নবির কথাই আপনাকে বিশ্বাস করতে হচ্ছে , টিভি তে জাকির নায়েকের লেকচার যারা শুনেন তারা দেখবেন উনি ঘুরে ফিরে কোরআনের কাছে ফিরে আসছেন এবং বলছেন এটা কোরানে বলেছেন তাই এটা সত্যি অর্থাৎ উনি কোরআন কে সত্যি ধরে নিয়ে যুক্তি দিচ্ছেন , অথবা অ...

হরেক রকম ছাগুরে ভাই

ছাগুর জন্য কোন মানবতা নেই , ছাগুর জন্য খুব বেশি হলে থাকতে পারে কাঁঠাল পাতা , বর্তমানে দেশে বেশ কয়েক প্রকার ছাগু দেখা যায় –শিবির ছাগু , বি এন পি ছাগু , আওয়ামিলিগ ছাগু , হেফাজতি ছাগু , নাস্তিক ছাগু , ধর্মান্ধ ছাগু (এরা–শিবির ছাগু আর হেফাজতি ছাগুর সমন্বিত রূপ)। আসুন দেখি ছাগু গুলোর বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি শিবির ছাগুঃ এরা বাংলাদেশ জামাতে ইসলামির (মহা ছাগু) ছাত্র গ্রুপ , এদের মুখের দাড়ির পরিমাণ ইঞ্চি খানেক , এরা মউদুদি নামক এক শুকুর সানার মতবাদে বিশ্বাসী , এদের প্রিয় খাবার কাঁঠাল পাতা , এরা কাঁঠাল পাতা খাওয়ার কারণে মাথাই কিঞ্চিৎ সমস্যা আছে , মাঝে মাঝে এরা সমকামিতায় ও জড়িয়ে পরে , এদের কে অনেক ছোট থেকে ব্রেন ওয়াশ করে জামাতের খিদমতগার বানানো হয় , ইসলাম কায়েমের জন্য এরা আল্লাহ নবীর চাইতে মউদুদি নামক শুকর সানার লেখা বইয়ের কথা বেশি বিশ্বাস করে , গো আজম, নিজামি , সাইদি এদের পীর তাদের কথাই এরা যে কোন সময় পায়জামা খুলে হুজুরের খেদমতে লাগতে পারে । এদের ছাত্রি সংস্থার আর এক নাম কলিজু , তবে ময়না , টিয়া ইত্যাদি নামে ডাকতে শোনা গেছে , এরা ধর্মের নাম দিয়ে যে কোন মিথ্যাচার অবলীলায় কর...

শোকগাথা সহযোদ্ধাদের জন্য

হ্যাঁ আজ আমি শোক গাথা লিখতে বসেছি নাগরিকে আমার প্রথম লেখা টা হোক শোক গাথা , আমি কখনই ব্লগিং করতে চাই নি , ফেসবুকে বসে বসে আজাইরা সময় কাটাইতাম , প্রেমিকা কে নিয়ে ফুচকা খেতাম , নতুন নতুন মডেলের ফোন কিনতাম আহ জীবন টা এমনেই ছিল , প্রেমের কবিতা গুলো প্রেমিকা কে শুনিয়েই আমি সুখি ছিলাম , কে ভাবে দেশ নিয়ে কে ভাবে মানুষ নিয়ে , এই দেশের কোন ভবিষ্যৎ নাই এই ত ছিল আমার চিন্তা ভাবনা , কিন্তু একদিন কি কুক্ষণে আসিফ নামক ওই নাস্তিক টার বন্ধু হলাম ফেসবুকে , তারপর থাবা বাবা , আল্লামা শয়তান , আমার চিন্তার দুয়ারে আঘাত করতে লাগলো আসিফের বড় বড় লেখা গুলো (সেটা নকল হোক আর যাই হোক) , থাবা বাবা আর আল্লমা শয়তানের ছোট ছোট স্ট্যাটাস গুলো , আমি পড়তে শুরু করলাম জানতে শুরু করলাম , হুমায়ান আহমেদ এর উপন্যাস দূরে রেখে আমি আরজ আলি মাতুব্বর , ডকিন্স , আমাদের আভিজিত দা এদের লেখা পড়তে শুরু করলাম , আমি জানতে শুরু করলাম , এতদিন যে সত্য বুকের মাঝে সজতনে লুকিয়ে রাখতাম টা প্রকাশ করার দুরন্ত সাহস পেলাম , থাবা বাবা আর আল্লামা শয়তানের কাছ থেকে দেশপ্রেমের পাঠ শিখেছি , দেশ কে কতোটা ভালোবাসা যাই থাবাবাবা আমাকে শিখিয়েছ...

উদ্ভট উটের পিঠে চড়ে চলেছে স্বদেশ

উদ্ভট উটের পিঠে চড়ে চলেছে স্বদেশ কোন এক অন্ধকারের দিকে, এই যাত্রার শেষ কোথাই কেউ জানিনা আমরা, ৪ জন ব্লগার শুধু লেখার অপরাধে আজ কারাগারে অন্তরিন , তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা নাকি ধর্ম অনুভূতিতে আঘাত করেছে , আচ্ছা ধর্ম অনুভূতির সঠিক সংজ্ঞা কি সরকার এখনও প্রকাশ করেছে ? বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন রকম মতবাদ থাকতে পারে , আমি এখন যদি বলি কালি, দুর্গা এইগুলা সব ভুয়া, একজন মুসলিম হিসেবে আপনি আমার সাথে একমত হবেন কিন্তু একজন হিন্দু প্রচণ্ড মনে আঘাত পাবে , ইসলাম নিজেকে এক এবং একমাত্র ধর্ম দাবি করে অন্য সব ধর্ম কে বাতিল করে দিচ্ছে , এখন অন্য ধর্মের অনুসারিরা যদি ইসলাম কে দোষী করে মামলা করে তখন কেমন হবে ? আসলে মুসলিম এবং নাস্তিকের মাঝে পার্থক্য কি জানেন ? আপনি বলছেন ইসলাম ছাড়া আর সব ধর্ম ভুয়া আর নাস্তিক বলছে ইসলাম সহ সব ধর্ম ভুয়া। এখন নাস্তিক যদি একজন মুসলিমের ধর্ম অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে থাকে তাহলে একজন মুসলিম ও ঠিক একই কাজ করে কেন সমান সাজা পাবে না । হ্যাঁ এখন আপনি বলতে পারেন আপনি একজন ধর্ম বিদ্বেষী ইসলাম ধর্ম কে কটাক্ষ করাই আপনার লক্ষ্য। জি আপনি ঠিক ধরেছেন এই দেশের ৮০ ভাগ লোক জেনে বা না জেনে মুসলিম আর...

শুয়োরের সাথে সহবাস আমরা করি না

আমার ভাই আজ জেলে , সত্যি কথা বলার সৎ সাহস বুকে নিয়ে তারা আজ রিমান্ডে, এই দেশে ঘুষ খোর, দুর্নীতি বাজ রাজনীতি বিদ , খুনি সন্ত্রাসী খুল্লাম খুল্লা ঘুরে বেড়াবে আর দেশ প্রেমিক সত্যি কথা বলা যুবকেরা জেল খাটবে , এই তো আজ আমাদের নিয়তি , চোর বাটপার রাজাকারেরা আজ ধর্মের হেফাজত করবে , আর আমরা চোখ বন্ধ করে আমার দেশ মায়ের ধর্ষিত কান্না শুনবো , আজ যদি আমি এই দেশ মায়ের কান্না থামাতে অস্ত্র তুলে নেই হাতে তবেই কি তুমি শান্ত হবে লীগ ? আমরা নতুন প্রজন্ম গোলাপ হাতে নিয়ে কি বোর্ড কি অস্ত্র বানিয়ে লিখে যাই সত্য আর সুন্দরের পক্ষে , আমরা শুয়োরের সাথে বসবাসের ফতোয়া অস্বীকার করে মাথা তুলে দাড়িয়ে থাকি । এই কি আমাদের অপরাধ ? আর কত সহ্য করব ? বুকের ভিতর প্রতিশোধের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে , ৩০ লক্ষ শহিদের রক্তের ঋণ আমাকে ঘুমুতে দেয় না , ০২ লক্ষ নির্যাতিত মায়ের কান্না আমাকে ঘুমুতে দেয় না, আর দেশের শত্রু রাজাকার শুয়োর গুলো এখনো বাংলার বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় , এখনও ওরা আমাদের মুখের ওপর দাত কেলিয়ে হাসে , আর নির্বোধ সরকার ওদের ফাঁসির মুলা ঝুলিয়ে আমাদের সামনে ভোটের হিশাব করে? কিছু জানোয়ার কে খুশি করতে আম...

এই দেশ মুসলিমের, এই দেশ নাস্তিকের্‌ ,এই দেশ হিন্দুর্‌ ,এই দেশ সবার । আমার কথা বলার অধিকার যারা কেড়ে নিতে চায় ওরা পাকিস্তানের ভুত , ওদের যদি আজ মোকাবেলা না করতে পারেন আগামি প্রজন্ম আপনাকে ধিক্কার দেবে।

৮৪ জন ব্লগারের তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে জমা দেয়া হয়েছে, এখন সরকার নাস্তিক বিচারে বসবে, বাহ এই না হলে বাংলাস্তানের সরকার, আরও একধাপ এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ বাংলাস্তানের পথে, যে ৮৪ জনের তালিকা দেখলাম তাদের কয়েকজন বাদে প্রায় সবাই ব্লগ এবং ফেসবুকের পরিচিত মুখ, আর কয়েকজন কে কখনই ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিতে দেখিনি, শুধু জামাত বিরোধিতার জন্য তারাও আজ নাস্তিক , আর আমাদের ইমানদার সরকার হোগার কাপড় খুলে দৌড় দিবে এখন নাস্তিক ধরতে। গতকাল আল্লামা শয়তান (বিপ্লব দা) কে ডিবি পুলিশ ডেকে নিয়ে গেছে , পরে রাত্রে নাকি তাকে হাতকড়া পরা অবস্থায় তাঁর বাসা থেকে ল্যাপটপ মডেম ইত্যাদি জব্দ করে নিয়ে গেছে, সাথে রাসেল ভাই কে নাকি দেখা গেছে ডিবির গাড়িতে হাতকড়া পড়া অবস্থায় । সুব্রত শুভ কে ও কালথেকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না, তাঁর ফোন বন্ধ তাঁর বন্ধুরা জানাচ্ছে কাল তাকে ডিবি পরিচয় এ কিছু লোক গাড়িতে তুলে নিয়ে গেছে, আমরা শঙ্কিত রিতিমত আন্তংকিত বলা যাই, এই লোকগুলোর অপরাধ তারা ধর্ম মুক্ত একটা সমাজ চায়, তারা ধর্মের মুখোশ খুলে দিতে চায়, মন্দির ভাঙলে, মসজিদে বোমা নিয়ে ঢুকলে বিচার হয় না, আর ফেসবুকে দুই লাইন সত্য কথা বললে ধর্ম অনুভুতি এক্ক...

জয় হবে সত্যের , জয় হবে মানবতার , জয় হবে মানুষের

তাহলে এই আমার বাংলাদেশ ? এই বাংলাদেশ কে নিয়েই আমাদের গর্ব করতে হবে ? আজ সত্যি কথা সত্যি করে বলা যাবেনা, ধর্মের জুজু দেখে আমাকে পালাতে হবে , হাস্যকর আর ভণ্ড ধর্ম গুলো নিয়ে কিছু বলা যাবেনা, কিছু বললেই ধার্মিকের অনুভূতি খাড়া হয়ে যাবে , আর ধার্মিকেরা বিজ্ঞান নিয়ে হাস্যকর কথা বলে আমার বিজ্ঞানুভুতিতে আঘাত করলেও আমার চুপচাপ মেনে নিতে হবে। আহ কি মামুর বাড়ির আবদার। ধর্মের বিষ আমাদের আত্মায় বহন করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমরা শুধু অন্ধকারের পথেই হেটে যাব। এই আফিম আমাদের নেশাই ডুবিয়ে শুধু বাকির লোভ দেখিয়ে নগদে ক্ষমতাশালির ক্ষমতা টিকিয়ে রাখবে, আর দরিদ্র জনগোষ্ঠী পরকালে কোরমা পুলাউ খাবার লোভে এই জগতে ভুখা থাকবে। মসজিদ মন্দিরের চকচকে বারান্দাই ভুখা নাঙ্গা লোক পরকালে যাওয়ার টিকেট নিবে, আর সুদখোর ঘুষখোর ভুরিমুটা বাঙ্গালী পেটে হাত বুলিয়ে পরকালে আরও দুইটা হুর বেশী পাওয়া যাবে কিনা সেই চিন্তাই মোগ্ণো হবে। আজ যদি আমরা ধর্মের সমালোচনা বন্ধ করে দেই, এই দেশ আর কোনো বিজ্ঞানী জন্মাবে না, আর কোণো আরজ আলি জন্মাবেনা, আর একজন হুমায়ান আজাদ জন্মাবে না, আর একজন জাফর ইকবাল জন্মাবে না , এ দেশে তখন জন্ম হবে জাকির নায়েকের ...